Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts

Monday, July 29, 2019

চলাফেরা করুন, আনন্দে থাকুন,সুস্থ থাকার মজাদার উপায়।

চলাফেরা করুন, আনন্দে থাকুন,সুস্থ থাকার মজাদার উপায়।

আপনি হাসি খুশী,সুস্থ ও সতেজ প্রফুল্য থাকতে শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তার সাথে এটি আপনার আত্মবিশ্বাসকে চাঙ্গা করে তোলে। কিন্তু আপনি স্কুলে অথবা ঘরে পড়াশোনা বা রান্না ও পরিষ্কারের কাজে সাহায্য করায় ব্যস্ত আছেন।
 ব্যায়াম অথবা শরীরচর্চা করার কোন সময় নেই?
ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করার কিছু গোপন উপায় এখানে দেয়া হলো...


নেচে নেচে পোশাক পরুন....
সকালে যখন আপনি স্কুলে যাওয়ার জন্য পোশাক পরবেন, তখন আপনার পছন্দের একটি গান চালিয়ে নাচুন যেন কেউ দেখছেই না? আপনি এতটাই প্রফুল্য বোধ করবেন আপনি নিজেই অবাক হবেন।

যখন আপনি কোন বন্ধুর সাথে টিভি দেখবেন বা আপনার ভাইবোনের সাথে আপনার প্রিয় রেডিও নাটক শুনবেন, তখন বিজ্ঞাপনের বিরতিতে কে কত উঠবোস বা জাম্পিং জ্যাক করতে পারে তা নিয়ে তাদেরকে প্রতিযোগিতায় আহ্বান করুন।
ঘরের কাজে সবসময় সহায়তা করুন।
আপনাকে কতবার ঘরকন্নার কাজে সহায়তা করতে বলা হয়েছে? 
কাপড় ধোয়া বা শুকাতে দেওয়া অথবা ঘর পরিষ্কার করা বেশ একঘেঁয়ে মনে হলেও একটু গান চালিয়ে দিন এবং ভাবুন যে ঝাড়ু বা ন্যক্রাটি আপনার গিটার বা মাইক্রোফোন। ঘরের কাজটি যে শুধু সময়ে শেষ হবে তাই নয়- আপনার গানের পরিচর্যা বা অভ্যাস করলেন এবং আপনার শরীরকে এন্ডোরফিন নামক ভালো অনুভূতির হরমোন দিয়ে ভর্তি করে তুললেন- এগুলি দুঃখের চিন্তাকে বহু দূরে রাখে!
আপনার ফোন নামিয়ে রাখুন।
আপনার টেক্সট করার আঙ্গুলগুলিকে একটু বিরাম দিন এবং যখন আপনি হাঁটতে যাবেন তখন আপনার বন্ধুদের সাথে মুখোমুখি কথা বলুন- শুধু নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনারা সর্বদাই একসাথে রয়েছেন এবং আপনি কোন নিরাপদ স্থানে হাঁটতে বেরিয়েছেন। টাটকা বাতাস নেওয়ার সময় আপনার বন্ধুদের সাথে উচ্চ স্বরে হাসা আপনার শরীরকে ভালো অনুভূ্তিকে পূর্ণ করে তুলবে, তার সাথে আপনার পেট ও পায়ের পেশীগুলির ভালো ব্যায়ামও হবে। স্মাইলি ইমোটিকন পাঠানোর চেয়ে এটা ঢের ভালো।

আপনার ছোট ভাই বা বোন অথবা প্রতিবেশীর বাচ্চার দেখভাল করতে বলা হয়েছে ?
 কেন না স্কুল এবং পড়াশোনা থেকে একটু বিরতি নেওয়া যাক এবং আবার সঠিক অর্থে শিশু হয়ে ওঠা যাক। তাদেরকে মজাদার ঝাঁপানোর খেলায় আহ্বান করুন, লুকোচুরি খেলুন বা একটি বল ক্যাচ করুন। আপনি ছোট বেলায়  খেলেছেন এমন একটি খেলাও আপনি তাদেরকে খেলার জন্য আহ্বান করতে পারেন, নিয়মিত প্রফুল্ল্য থাকার চেস্টা করুন।

Saturday, July 6, 2019

আসুন নিজেকে বদলাই,সমাজটাকে বদলে দি।

আসুন নিজেকে বদলাই,সমাজটাকে বদলে দি।

""  সামাজিক মুল্যবোধ ''"

     মেয়েটা বাস ভাড়া দিতে ব্যাগ খোলার সাথে সাথে ব্যাগ থেকে সিগারেটের প্যাকেট টা টুক করে পড়ে গেলো।
আশে পাশের মানুষের ভ্রু কুচকে তাকালো। এক জন বলেই বসল "কি যুগ পড়ল মেয়েরাও ব্যাগে সিগারেট নিয়ে ঘোরে।"
কেউ জানেনা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মেয়েটা ছোট ভাইকে সিগারেট খাওয়ার জন্য থাপ্পড় মেরে সিগারেটের প্যাকেটটা নিজের ব্যাগে রেখেছিলো। রাস্তায় ফেলে দেবে ভেবেছিল কিন্তু বাস এসে যাওয়ায় ভুলে গেছে।

৪০ বছর বয়সী একটি লোক নাইটে ক্লাশ করতে কলেজে এসেছে....
আশে পাশে সবাই যুবক।
একজন মন্তব্য করেই বসলো
"আঙ্কেলদের সঙ্গে আজকাল ক্লাশও করতে হয়!!"
কেউ জানেনা লোকটির বাবা অনেক আগে মারা গিয়েছে। সংসারের হাল ধরার জন্য বড় ছেলে হিসেবে তাকে তখন পড়াশোনা ছাড়তে হয়েছিলো।
এখন এই বয়সে সে আবার লেখাপড়া করার জন্য আর্থিক দিক দিয়ে সক্ষম, তাই আবার পড়াশোনা শুরু করেছে।
কারণ তার পড়তে ভালো লাগে।

ছেলেটা ফুল কিনে মেয়েটার হাতে দিচ্ছিলো। পাশ থেকে একজন বলে উঠলো
"ভালোই মানিয়েছে রে!"
কেউ জানেই না মেয়েটা তার নিজের দিদি এবং মেয়েটার আজ চাকরির প্রোমোশন হয়েছে বলে ছোট ভাইয়ের সামর্থ্য অনুযায়ী ঐ ফুলটাই কেনা সম্ভব ছিলো তার পক্ষে।

ছেলেটা বন্ধুদের আড্ডায় খুব হাসিখুশি। গত সপ্তাহেই তার প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গিয়েছে।
প্রিয় বন্ধুদের মধ্যে একজন মন্তব্য করে বসলো
"এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলি সব!"
কেউ জানেই না যেদিন তার প্রেমিকার বিয়ে হলো সেদিন থেকে সে এক রাতও শান্তিতে ঘুমায় নি। শুধু কেঁদেছে।
মানুষের সামনে ভালো থাকার মিথ্যা অভিনয়ে সে আজ জয়ী।

ছেলেটা খুব রোগা!
একেবারে পেংলা যাকে বলে।
একজন মন্তব্য করলো
"নেশা টেশা করে মনে হয়"
অথচ কেউ জানেই না ছেলেটা ক্যান্সার নামক ভয়াবহ রোগে ভুগছে।

এটাই আমরা। আমি, আপনি, আমরা সবাই। বদলাতে পারিনা নিজেদের কে ? চলুন না, চেষ্টা করি নিজেদের মানসিকতা অল্প একটু বদলাতে, একটু অন্যভাবে ভাবতে! চলুন আমি, আপনি
একটু বদলাই।
 ইনশা  আল্লাহ
 দেখবেন একদিন এই সমাজ বদলে যাবে। 
যারা দার্জিলিং বেরাতে যেতে চান ।সিকিম হয়ে দার্জিলিং ট্যুর।

যারা দার্জিলিং বেরাতে যেতে চান ।সিকিম হয়ে দার্জিলিং ট্যুর।


ট্যুরের আগের করণীয়ঃ
১। ইন্ডিয়া ভিসা উইথ ফুলবাড়ি বা চ্যাংরাবান্ধা পোর্ট। সিকিম বা দার্জিলিং এর জন্য ফুলবাড়ি পোর্টটাই সুবিধা।
২। টাকা টু ডলার কনভার্সন এবং ডলার এনডোর্স।
৩। বাসের টিকিট (আমি ১ মাস আগেই কেটেছিলাম)।
৪। ট্রাভেল ট্যাক্স (ট্যাক্স দিয়ে যাইনি। তাই বর্ডারে পে করেছি)।
৫। জব করলে NOC (এবং তার ফটোকপি)।
আমাদের এই ট্যুর সিকিম হতে দার্জিলিং ।আমাদের সিকিম ট্যুর নিয়ে আগের পোস্টটা আপনি চাইলে পরে নিতে পারেন ।

গ্যাংটক এ সকালে হোটেল চেক আউট করলাম। জীপ স্ট্যান্ডে গেলাম ১১টায়। আমরা পার পারসন ২৫০ রুপি করে সিট নিলাম। আর বলে দিলাম যাত্রাপথে রাংপোতে থামাতে যাতে করে এক্সিট সিল নিতে পারি। এটা কিন্তু মাস্ট। এনিওয়ে, গাড়ি রওয়ানা দিল ১২টায়। একটু একটু করে যাচ্ছি আর মেঘের ভিতরে ঢুকে যাচ্ছি বিকালে ৪টায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে এসে সেখান থেকে ২০০ রুপি দিয়ে একটা ট্যাক্সি নিলাম মল রোড পর্যন্ত যাবার জন্য। দার্জিলিং এর মল রোড হল সিকিমের M G Marg। চাইলে দূরে থাকতে পারেন হোটেল ভাড়া বাঁচাতে। কিন্তু হ্যাপেনিং প্লেসে থাকলে আশপাশ ঘুরে মজা পাবেন।

মল রোডের ঠিক পাশের রোডেই আমরা একটা হোটেল নিলাম পার ডে ১১০০ রুপি দিয়ে। ২ দিন থাকবো। আর ১০০ রুপি দিতে হলো। বিদেশীদের নাকি কি কাগজপত্রের কাজ আছে। পাসপোর্ট ভিসার এক কপি করে ফটোকপিও রাখলো। পরদিন দার্জিলিং ডে ট্যুর দেয়ার জন্য ট্যাক্সি ভাড়া করলাম ২৫০০ রুপি দিয়ে। তারপর বের হলাম মল রোড এক্সপ্লোরিং এ। কিছু স্ট্রীট ফুড খেলাম। আশপাশ দেখলাম। ডিনার করতে Glenary’s নামে রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। বুঝতে পারছিলাম দাম বেশি হবে। কিন্তু এর পরিবেশ আমাদের নিয়ে গেল এখানে। খুব সুন্দর রেস্টুরেন্ট। একজন গায়ক গান গাচ্ছে।

গান শুনতে শুনতে মাটন বিরিয়ানী খেলাম। সাথে সালাদ আর কোক। ২জনের ৮৫৬ রুপি বিল আসলো। হাহা। রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমালাম কারণ ভোর ৩ঃ৪৫ এ উঠতে হবে টাইগার হিল দেখার জন্য।

৩ঃ৪৫ এই উঠলাম। ঠিক ৪টায় বেরিয়ে গেলাম।
টাইগার হিলঃ আধা ঘন্টায় পৌঁছে গেলাম টাইগার হিল। মেঘের কারণে কিছু দেখাই যাচ্ছিল না । অনেক মানুষ চারপাশে। হঠাত সূর্য দেখা গেল। সবাই হই হই করে উঠল যেন স্টেডিয়ামে খেলা দেখছে।

ঘুম মনিষ্ট্রিঃ সেখানে থেকে গেলাম ঘুম মনিষ্ট্রি তে। বৌদ্ধদের পবিত্র জায়গা।
বাতাসিয়া লুপঃ এখানে ২০ রুপি এন্ট্রি ফি। ওখানে দার্জিলিং এর ট্রাডিশনাল ড্রেস ভাড়া পাওয়া যায় ৫০রুপি দিয়ে। আমরা ড্রেস পড়ে ছবি তুললাম। আশপাশ ঘুরলাম।

রক গার্ডেনঃ ডে ট্যুরের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। এখানে আমরা ব্রেকফাস্ট করে অনেকক্ষণ ঘুরলাম। একদন চূড়ায় উঠলাম। মেঘ আর ঝর্নার মিলনমেলা এখানে।
এছাড়া Japanese Temple & Peace Pagoda, Tea Garden, Tenzin Rock ঘুরলাম। Zoo তে যেতে পারলাম না কারণ সাপ্তাহিক ছুটি। আর ropeway এ উঠলাম না কারণ পুরো মেঘে ঢাকা আর বৃষ্টি হচ্ছিল।

দুপুরের মধ্যে হোটেলে এসে ঘুম দিলাম। বিকালে উঠে লাঞ্চ করে আবার মল রোডে ঘুরলাম। যেকোন ট্যুরে এ ধরণের হ্যাপেনিং প্লেস আমার খুব পছন্দ। কারণ সরাসরি তাদের জীবনযাত্রা দেখা যায়। তাদের টেস্ট বোঝা যায়। কিছু শপিং করে ফেরত এলাম হোটেলে।

ঘুম থেকে উঠে মল রোডে কিছুক্ষণ ঘুরে হোটেলে ফিরে চেক আউট করলাম। তারপর জিপ নিয়ে শিলিগুড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম ১২টায়। আমাদের বাস ৪টায়। জিপে পার পারসন ১৫০ রুপি। আগের মতই ছোট গাড়িতে করে আমাদের বর্ডারে নিয়ে গেল। সেখানে বর্ডার ক্রস করে বাংলাদেশ বর্ডারে যখন ঢুকছি, কি যে ভালো লাগতেছিল। অনেক আপন আপন ফিল হচ্ছিল। নিজের দেশের মাটির ঘ্রাণই আলাদা।
খরচের হিসাব (পার পারসন) সিকিম ও দার্জিলিং একসাথে দেয়া আছে।আপনি চাইলে আলাদা হিসেব করতে পারবেন।
শ্যামলী এন আর বাস যাওয়া আসাঃ ২০০০+২০০০ = ৪০০০ টাকা
ট্রাভেল ট্যাক্স + বর্ডারঃ ৬৫০+১০০ = ৭৫০ টাকা
সিম ৪৫০ রুপি
শিলিগুড়ি টু গ্যাংটকঃ ২৮০ রুপি
গ্যাংটকে হোটেল ২ দিনঃ ৩২০০/২ = ১৬০০ রুপি
সাঙ্গু লেকঃ ১০০০ রুপি
ক্যাবল কার ৩২৫ রুপি
নর্থ সিকিমঃ ৩২০০ রুপি
গ্যাংটকে শেষ দিনের হোটেলঃ ১০৪০/২ = ৫২০ রুপি
গ্যাংটক টু দার্জিলিংঃ ৫০০ রুপি
দার্জিলিং এর দুইদিনের হোটেলঃ ২৩০০/২ = ১১৫০ রুপি।
দার্জিলিং ডে ট্যুরঃ ২৫০০/২ = ১২৫০ রুপি
দার্জিলিং টু শিলিগুড়িঃ ৩০০ রুপি
৭ দিনের খাওয়া প্রায় ৩৫০০ রুপি (পার ডে ৫০০ রুপি ধরে)।
রুপিকে ১.২ দিয়ে গুন করলে ১৭ হাজারের কাছাকাছি আসে, আর শ্যামলীর ৪০০০ + বর্ডারের ৭৫০। সব মিলিয়ে ২১৫০০ টাকার মত। আরো কিছু টুকটাক খরচ + শপিং ছিল।
খরচ আরো কমানো যেত যদি টিম বড় হত, শ্যামলীর বাস না নিয়ে নন এসি কোন বাস নেয়া যেত আর হোটেল হ্যাপেনিং প্লেস থেকে কিছুটা দূরে ভাড়া করা যেতে পারে।
সব শেষে যেটা না বললেই নয় তা হল, সিকিম আর দার্জিলিং খুবই পরিষ্কার জায়গা। আমরা চেষ্টা করবো যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে। আর সিকিমে ময়লা ফেলা, নর্থ সিকিমে প্লাস্টিক বোতল বা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস ক্যারি করা, প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়া আইনগত অপরাধ। তাই এই ব্যাপারগুলিতে উচিত হবে সতর্ক থাকা উচিৎ।

Friday, July 5, 2019

সফলতা অর্জন করতে হলে আমাদের যেসব আবেগ সমূহ ত্যাগ করতে হবে

সফলতা অর্জন করতে হলে আমাদের যেসব আবেগ সমূহ ত্যাগ করতে হবে

সফলতা অর্জন করতে হলে আমাকে আপনাকে যেসব আবেগ সমূহ ত্যাগ করতে হবে...

১:পিছনের খারাপ রেজাল্ট কিংবা ভালো রেজাল্টের কথা ভেবে অতিরিক্ত ভেঙে পড়া কিংবা আবেগে অতি উৎসাহী হওয়া যাবে না।

২:দুঃসময়ে প্রিয় বন্ধুগুলো কাছে নেই এই দুঃখে নিজেকে বড় অসহায় মনে করা নিছক বোকামী,এর ফলাফল কিছুই না।


৩:নিজের ব্যক্তিগত পরিকল্পনার সবকিছুই শুধু শুধু অন্যদের বলা বিরত থাকুন।


৪:নিজের দুঃখের কথা স্ট্যাটাস দিয়ে সবাইকে জানানো থেকে বিরত থাকুন।


৫:আপনি পিছনে কী কী ভালো কাজ করেছেন এসব অন্য সবাইকে বলা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন বরং নিজের ভুলের কথা অন্যদের আগাম জানিয়ে দিন।


৬:অন্যের সফলতা দেখে আফসোস না করে নিজের ভিতরে শক্তি যোগান আমাকেও সাফল্য পেতে হবে।


৭:নিজের দারিদ্র্যতার কথা ভেবে নিজেকে তুচ্ছ মনে করছেন একদম নিছক বোকামী কাজ কেননা এমন হাঁজারো ইতিহাস আছে যাঁরা শূণ্য থেকে শুরু করে দেশের সর্বোচ্চ পদে অবস্থান করছে।


৮: বাবা-কিংবা মা মারা যাওয়ার ফলে মনে করেছেন আপনার জীবন শেষ? ভুল ভাবছেন,এইসএসসি পরিক্ষার একদিন আগে বাবা মারা যাওয়ার পরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পাস করে এস আই হয়ে বাবার স্বপ্ন পূরণ করেছেন একদম কোন রকম টাকা ছাড়াই।অনার্সে পড়ার সময় হঠাৎ বাবা মারা যাওয়ার পরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবার বিবিএ পরিক্ষায় নবম হয়েছে ডিপার্টমেন্টে ।


৯:সবকিছু বাদ দিয়ে আজ থেকে পড়ালেখা শুরু করবো এমন তথ্য স্ট্যাটাস দিয়ে সবাইকে বলার কিছুই নাই।


১০: কিছু করতে হলে ত্রিশ বছরের মধ্যে করতে হবে,কেননা ত্রিশ বছর পরে আপনার সার্টিফিকেটর যে মূল্য আর ঝালমুড়ি দেওয়া কাগজের মুল্য একই       থাকবে তাতে যে রেজাল্টই হোক।


১১:ব্যর্থতা, হতাশা,দারিদ্র্যতা নিয়েই জীবন তাই এতে আবেগ প্রবণ না হয়ে নিজেকে তৈরী করার চিন্তা করুন।


১২:মা-বাবার জন্য হলেও আপনাকে সফল হতে হবে,দেশে এখনও হাঁজার হাঁজার মানুষ ভালো মানের চাকুরী করে কোন রকমের ঘুষ দেওয়া ছাড়া।




Wednesday, June 19, 2019

মাসিক নিয়ে কিশোরিদের যত ভয় ।

মাসিক নিয়ে কিশোরিদের যত ভয় ।

সোজা কথায় বলতে গেলে মাসিক যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে। কিন্তু তার সবটাই খারাপ হতে হবে এমন নয়! এখানে মোকাবিলা করার কিছু পরামর্শ দেওয়া হল:

প্রতিটি মেয়েই মাসের এই সময়টির মধ্যে দিয়ে যান: আপনার মাসিক। এটি বেড়ে ওঠার একটি প্রাকৃতিক অংশ এবং এটিকে খারাপ হতে হবে এমন নয়।
খিল ধরা আটকান
যদি মাসিকের আগে বা চলার সময় আপনার পেটে খিল ধরে, তাহলে আপনি একা নন। বেশির ভাগ মেয়েরাই পেটে খিল ধরা এবং পিঠের ব্যথায় ভোগে, কারণ আপনার জরায়ুর পেশীগুলি আস্তরণটি সরতে থাকে এবং আপনার হয়তো মনে হতে পারে যে আপনার মাসিক চলার সময় বাইরে বেরোনো উচিত নয়, খেলাধূলো করা বা বন্ধুদের সাথে খেলা উচিত নয় বা  ঠিক নয়! পেশীগুলি সচল রাখতে ও পেটের খিল ধরা সারাতে শরীরচর্চা এক দারুণ উপায়।

 রক্ত ধরতে নিশ্চিতভাবে একটি স্যানিটারী টাওয়েল বা পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করুন এবং এটি নিয়মিতভাবে পাল্টান যাতে জীবাণুগুলি আপনাকে অসুস্থ করতে না পারে।
ব্যথা কমানোর আরেকটি উপায় হল গরম জলে স্নান করা, বা আপনি একটি তোয়ালেতে গরম জলের একটি বোতল জড়িয়ে এটিকে আপনার পেটেও রাখতে পারেন। বিষয় হল খিলগুলি একদিন বা দুদিনের থেকে বেশি থাকে না।
প্রফুল্য থাকার সর্বোচ্চ চেস্টা করতে হবে ।
আপনি কি আপনার বাবা বা মায়ের বলা কোন কথায় কেঁদেছেন এমনকি যদি সেটা খুব খারাপ না হয় তবুও?
 আপনি কি আপনার সেরা বন্ধুর সাথে ঝগড়া করেছেন কিন্তু আপনি ঠিক জানেন না কেন?
 একদম স্বাভাবিক! হরমোন- আপনার রক্তপ্রবাহে থাকা ছোট্ট বার্তাবাহক যারা আপনার শরীরের বিভিন্ন অংশে রাসায়নিক বিক্রিয়া পাঠায়- তারাই মাসিক চক্রের জন্য দায়ী এবং তাদেরকেই দোষ দেওয়া চলে। তাদের উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে, মাত্রাগুলি প্রচুর পরিমাণে পাল্টাতে পারে, সেজন্যই আপনি কোন কোন সময় একটু বেশি সংবেদনশীল বা আবেগপ্রবণ বোধ করেন। আপনার সাথে ভুল কিছু ঘটেনি এটি একদম স্বাভাবিক, কিন্তু যদি আপনি এটি নিয়ে সচেতন হন, তাহলে এটি আটকানো আরো সহজ হয়।
চর্মে ফুসকুড়ির আক্রমণ ।
আপনি হয়তো লক্ষ্য করবেন যে আপনার মাসিক শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে ফুসকুড়িগুলি আচমকা আপনার মুখে দেখা দেয় এমনকি যদি আপনার সাধারণতঃ ব্রণ না থাকে তবুও- আবার আপনার হরমোনদেরকেই দোষ দিতে হয়। প্রচুর জল পান করুন, এটি আপনার তন্ত্রগুলি থেকে দূষিত পদার্থ ধুয়ে ফেলবে যা আপনার শরীরকে জীবাণু সৃষ্টিকারী ফুসকুড়ির সাথে লড়তে সাহায্য করবে। এবং তেলতেল খাবার, সোডা থাকা পানীয় ও মিষ্টি থেকে দূরে থাকুন, এগুলি ফুসকুড়ির সেরা বন্ধু।
কি করে বুঝবেন কোন গন্ডগোল হয়েছে ?
খিল ধরা, মেজাজ পরিবর্তন এবং ফুসকুড়ি হল স্বাভাবিক উপসর্গ যা আপনার মাসিক হওয়ার অংশবিশেষ। কিন্তু কিছু জিনিস নয়। যদি আপনার শরীর এই লক্ষণগুলির কোন একটি দেখায়, তাহলে আপনার হয়তো কোন ডাক্তার, কোন স্বাস্থ্যকর্মীকে দেখানো দরকার বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাওয়া দরকার:
আপনার বেশ কয়েক মাস ধরে মাসিক হয়নি ?
আপনার মাসিক সাতদিনের বেশি ধরে চলছে  ?
যদি আপনার অত্যধিক রক্তপাত হয় এবং সপ্তাহ কাটার সাথে সাথে রক্তপাত কমের দিকে না যায়।
আপনার পেটে এতটাই বাজেভাব খিল ধরে যে আপনি হাঁটাচলা প্রায় করতেই পারেন না
যদি আপনি উপরের কোন একটিতেও ভোগেন, তাহলে চুপ করে বসে থাকবেন না! আপনার - - --অভিভাবক, বড় কোনো সহোদর বা বিশ্বাস করেন এমন কোনো বয়স্ক ব্যক্তিকে বলুন যাতে আপনি সাহায্য পেতে পারেন।

Tuesday, June 11, 2019

কোলাপ্স বা হিমাঙ্গ অবস্থা, এ রোগ বাংলাদেশে নাম দ্বারা পরিচিত না।

কোলাপ্স বা হিমাঙ্গ অবস্থা, এ রোগ বাংলাদেশে নাম দ্বারা পরিচিত না।

পূর্ন বিকশিত অবস্থা হতে আস্তে আস্তে হিমাঙ্গ অবস্থা উপস্থিত হয়। জীবনি শক্তি অতিশয় ক্ষিন, ধমনীতে রক্ত সঞ্চালনের চিন্হ পাওয়া যায় না।
 নাড়ী অতি ক্ষীণ,সূতার ন্যায় দ্রুত,হাতের কব্জিতে প্রায়ই পাওয়া যায় না,পুরা শরীর বরফের মতো ঠান্ডা,হ্রদপিন্ডের ক্রিয়া অতি ক্ষীণ,চোখ মুখ চুপসিয়ে যায়,অর্ধনিমীলিত চক্ষু,চক্ষু কোটরাগত,গলা বসিয়া যায়,রোগী যদি অতি কস্টে কথা বলতে পারে তবে তাহাতে ফুসফাস সব্দ হয়,হাত পায়ের আঙ্গুল যেন অনেক সময় ভিজে চুপসে গেছে এমন মনে হয়,এক কথায় সমস্ত ইন্দ্রীয় গুলো ও শারিরিক সকল যন্ত্র অষার ও নিস্তেজ হয়ে পরে,দ্বিতীয় অবস্থায় যে অস্হিরতা লক্ষিত হয় তৎপরিবর্তে অসার ভাব উপস্থিত হয়।

 ভেদ বমি একে বারে থামিয়া যায় কিংবা পরিমাণ অনেক কম এবং অসাড়ে নির্গত হয়,অনেক সময় ওয়াক বা কাটবমি হতে থাকে।হাতে ও পায়ের খিলধরা থেমে যায় কিংবা অনেক সময় অন্তর যখন রোগী যন্ত্রনায় চিৎকার করতে চেস্টা তখন দেখা দেয়।
কোন কোন সময় কোমা বা অচৈতন্য অবস্থা লক্ষিত হয় কিন্তু প্রায়ই জ্ঞা্ন লোপ হয় না। দেহের উত্তাপ সাধারণত : বগলে ৯০ হতে ৯৭ ডিগ্রি,মুখে ৭৭হতে ৯০ ডিগ্রি,গুহদ্বার বা যোনিপথে সামান্য অধীকতর উত্তাপ দেখা যায়,মৃত্যুর পূর্বে অনেক সময় উত্তাপ বাড়তে দেখা যায়।
ওলাউঠার বর্ধিত অবস্থায় অত্যাধীক ভেদ ও বমি হওয়ায় রক্তের জ্বলীয়াংশ নির্গত হয়ে যায় এবং তখন যে রক্ত থাকে উহা অত্যন্ত গাঢ় হওয়ায় শরীরস্থ অতি সুক্ষ ধমনীর শিরা সমুহ  (Capillaries and Viens )  সুচারু ভাবে প্রবাহিত হতে পারে না এবং ফুসফুসের মধ্যে গিয়ে অক্সিজেন সাহায্যে উহা বিশোধীত হতে পারে না,এজন্য শরীরস্হ শোণীত সহজে দূষিত হয়ে পরে এবং শ্বাসকস্টাদি উপসর্গ দেখা দেয়।
আমার এই লিখা শুধু মাত্র জনসচেতনতার উদ্দেশ্যে,আপনারা অবশ্যই ইহার ভালো মন্দ যে কোন বিষয়ে কমেন্ট বক্স এ মন্তব্য প্রকাশ করবেন।
 ধন্যবাদ

Monday, June 10, 2019

কলেরা রোগের ইতিহাস।

কলেরা রোগের ইতিহাস।

এই রোগ ঠিক কোন সময় সর্ব প্রথম দেখা যায় তা বলা কঠিন। এই কলেরা রোগ বিশেষত : মারাত্মক প্রকারের।
 বঙ্গদেশে এই রোগ ঠিক কোন সময় দেখা দিয়েছিল তাহা বলা কঠিন। কথিত আছে ১৮১৭ ইংরেজি সনের আগস্ট মাসে যশোর জেলার অন্তর্ভুক্ত নলডাঙ্গা গ্রামে এই সংক্রামক রোগ বহু ব্যাপক ভাবে প্রথম দেখা যায়।

 উহাতে বহু লোকের মৃত্যু হয়। ইহার পূর্বে এই রোগের প্রতি ইউরোপীয় চিকিৎসকদের অধীক দৃস্টি পতিত হয় নাই। ক্রমশ কলকাতা ও বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহরে এই রোগ বিস্তৃতি লাভ করে।

পরবর্তী তিন বৎসরের মধ্যে ভারতের সর্বত্র এমন কি সিংহল ও ভারতীয় দিপপুন্জে বিস্তৃতি লাভ করে।

অতিপ্রাচীন কালে হিপোক্রেটিস এর এবং তার পরে গ্যালেনের সময়ে কলেরার ন্যায় এক প্রকার পীড়ার উল্লেখ্য পাওয়া যায়।

 অনেকে বলেন, ইহা ইদানীং কালের কলেরা নহে,পরন্ত উৎকট জাতীয় অতিষার।ইউরোপ এ রোগ প্রথম দেয় ১৮৪০ ইংরেজি সনে, ১৩ বৎসর যাবৎ অবস্থিতি করে। দ্বিতীয় আক্রমণ ১৮৪৮ সালে ইহার স্থায়ী কাল ৯ বৎসর, ইউরোপে ১৮৯১-৯৫ পর্যন্ত এপিডেমিক এ অগনীত লোকের মৃত্যু হয়।

Dr c.n.macnamara বলেন, বানিজ্য হেতু রোগ পৃথিবীর সর্বত্র শীঘ্রই বিস্তৃতি লাভ করে। বাংলাদেশ হতে জল পথ অর্থাৎ বঙ্গোপসাগর,লোহিতসাগর, ও ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী বানিজ্য কেন্দ্র সমুহে ও সমগ্র ইউরোপ এবং কিছু কাল পরে ১৮৩২সালে

 গ্রেট বৃটেন হতে আটলান্টিক মহাসাগর পারি দিয়ে আমেরিকায় এই রোগ বিস্তার লাভ করে। বাংলাদেশ,ভারত,আফগানিস্তান সহ মধ্য এশিয়া পারশ্য অঞ্চল ও রাশিয়াতে বিস্তার লাভ করে।
কলেরা বা ডাইরিয়া বাংলাদেশের পরিচিত রোগ।

কলেরা বা ডাইরিয়া বাংলাদেশের পরিচিত রোগ।

কলেরা বা ডাইরিয়া বাংলাদেশের পরিচিত রোগ।
এই রোগের বাংলা নাম ওলাউঠা। ওলাউঠা অর্থাৎ ভেদ- বমি বুঝায়। ওলা অর্থাৎ নীচে নামা বা ভেদ এবং উঠা অর্থাৎ উপরে উঠা বা বমি। কিন্তু শুধু ভেদ-বমি বললে ওলাউঠা বা কলেরার সম্যক পরিচয় দেওয়া হয় না।
 চাউল ধোয়া জ্বল, ভাতের মাড়,পান্তা ভাতের আমানি বা কুমড়া পচা জলের ন্যায় ভেদ, সেই সঙ্গে প্রস্রাব বন্ধ, ক্রমশ : হাতে পায়ে খিল ধরা,নাড়ীলোপ,দারুণ পিপাসা, গাত্র জ্বালা,শরীরের হিমাঙ্গ অবস্থা,প্রচুর শীতল-ঘর্ম,স্বর ভাঙা বা স্বরলোপ,চোখ মুখ বসে যাওয়া, হাত পায়ের চামড়া কুঞ্চিত বা চোপ্সান,শ্বাস কস্ট প্রভৃতি আনুষঙ্গিক লক্ষন ক্রমশঃ প্রকাশ পায়।

শিশুদের ক্ষেত্রে প্রচুর ভেদ- বমি হেতু শিশু রক্তহীন ও জিবনী শক্তি শুন্য হয়ে পরায় মস্তিষ্কে জ্বল সঞ্চয় লক্ষন দেখা যেতে পারে।
ইহার অন্য নাম এসিয়াটিক কলেরা বা এপিডেমিক কলেরা।
এই কলেরা জিবানু - সম্ভুত ব্যাধী। কিন্তু সিম্পল কলেরা বা সামান্য প্রকৃতির কলেরা সম্ভবত :জীবানু সম্ভুত নয়।উহাকে কলেরা মর্বাস বলে,ইংলিশ কলেরা বা উৎকট প্রকৃতির অতিসার বলা হয়।
প্রসুতি বা স্তন্যদায়িনীর পান- খাওয়া মলত্যাগ ও অনিয়ম।

প্রসুতি বা স্তন্যদায়িনীর পান- খাওয়া মলত্যাগ ও অনিয়ম।

স্তন্যদায়িনী যদি প্রত্যহ ঠিক সময়ে আহারাদি না করেন কিংবা নিয়মিত মল ত্যাগের অভ্যাস না করেন তবে তাহার দুগ্ধে শিশুর কোষ্ঠবদ্ধতা জন্মাতে পারে।
যে সকল নারী অত্যন্ত অলস প্রকৃতির,সাংসারিক কাজ কর্মে বা অন্যবিধ উপায়ে অঙ্গ চালনা না করেন তাহাদের দুগ্ধ সন্তানের কোষ্ঠবদ্ধতা আনতে পারে।
শিশুর নিয়মিত মল ত্যাগ :
যে শিশু প্রত্যহ ঠিক সময়ে মল ত্যাগ এ অভ্যস্ত না হয়,মাতার বা পরিচারিকার সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী তাহার মল ত্যাগ করানো হয় তাদের কোষ্ঠবদ্ধতা জন্মিয়া থাকে। এজন্য শিশুকে যেমন নিয়মিত সময়ে আহার দিতে হবে ঐ রূপ নিয়মিত সময়ে মল ত্যাগ করাতে হবে।বাহ্যে হোক বা না হোক একই সময়ে মল ত্যাগের জন্য বসাইতে হবে।অত্যাধীক ক্ষুধা বা শ্বীতবোধ বা অন্য কোন প্রকারের কোন অসুবিধার জন্য যেন শিশুর এই অভ্যাস গঠনে বাধা না হয়।

 নিয়মিত মল ত্যাগের অনভ্যাস বশত : বয়স্ক বালক -বালিকা গন বেগ ধারন করতে অভ্যাস করে।
 তাহার ফলে কিছুদিন পরে স্বাভাবিক মল ত্যাগের বেগ সহজে আর আসে না।
মল ভান্ডু হতে যে সকল স্নায়ু ( Spinal cord ) এর প্রান্তে গিয়ে মিশেছে উহার সাহায্যেই আমাদের মল ত্যাগের বেগ হয়।
কিন্তু বেগ ধারনের অভ্যাস বশত : এই সকল স্নায়ু কেন্দ্র (defaecation centre) নিস্ক্রিয় হয়ে যায় এবং তাহাতে কোষ্ঠবদ্ধতা আনয়ন করে।
 শিশুকে প্রত্যহ একই সময়ে আহার দিবার ও যেন গোলযোগ না হয়,কারন তাহা হলে নিয়মিত ভাবে একই সময়ে বাহ্যের বেগ আসবে না।
শিশুর অন্ত্র সংশ্লিষ্ট পেশীর দূর্বলতা স্নায়ুর নিস্তেজ অবস্থাঃ
বয়স্কদের তুলনায় শিশুর অস্ত্র প্রাচীর ( intestinal walls) পাতলা এবং তৎসংলগ্ন পেশী সমুহ দূর্বল। শিশু যদি স্বভাবত রক্ত শুন্যতা ও দূর্বল হয় কিংবা কোন কঠিন রোগে ভূগিবার অস্বাভাবিক দূর্বল হয়ে পরে তবে উক্ত স্নায়ু গুলো বা পেশী সমুহের স্বাভাবিক সতেজ অবস্থা না থাকায় অন্ত্রস্থ আকুন্চন - প্রবাহ ঠিক ভাবে চলতে থাকে না এবং অন্ত্রগাত্রস্থ গ্রন্থি সমুহ ( glands ) হতে স্বাভাবিক রস ক্ষরন না হওয়ায় শিশুর কোষ্ঠবদ্ধতা উৎপন্ন হয়।

Sunday, June 9, 2019

কোষ্ঠবদ্ধতা আমাদের দেশের নিয়মিত ও পরিচিত রোগ।

কোষ্ঠবদ্ধতা আমাদের দেশের নিয়মিত ও পরিচিত রোগ।

লক্ষন- শিশু প্রত্যহ কয়বার মল ত্যাগ করবে উহা তাহার বয়স,সাধারনত সাস্থ ও পথ্যের উপর নির্ভর করে।মাতৃস্তন্যপায়ী শিশু ভুমিস্ট হওয়ার পর হতে ২মাস বয়স পর্যন্ত সুস্থ অবস্থায় দিনে ৩/৪বার মল ত্যাগ করবে। ৮ মাস হতে ২বৎসর বয়স পর্যন্ত দিনে ২ বার মল ত্যাগ করা স্বাভাবিক।
২বৎসরের অধীক বয়সী শিশু দিনে একবার বা দুই বার বাহ্যে হওয়া স্বাভাবিক। 

কোষ্ঠবদ্ধতা নির্নয় করতে হলে এই নিয়মের বিরুপ ব্যাতিক্রম হয়েছে এবং মলের প্রকৃতি কিরুপ তাহা বিবেচনা করা আবশ্যক।

 বয়স্ক শিশুদের ব্যাক্তিগত স্বাভাবিক মল ত্যাগের বিবরণ ও জানা আবশ্যক,কারন কোন কোন বালক -বালিকা দিনে একবার বা একদিন পর একদিন একবার মলত্যাগ করে সুস্থ থাকে।


সুতারং তাদের কোন প্রকার অসুস্থতা বোধ উহাদের বিলম্বে বা অসম্পূর্ণ ভাবে কোষ্ঠ পরিষ্কৃত হয় কিনা তাহা জানিয়া কোষ্ঠবদ্ধতা রোগ নির্নয় করতে হবে।

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এই রোগকে বিলম্বিকা নামে অভিহিত করে।
যে রোগে কফ এবং বায়ু কতৃক ভুক্ত দ্রব্য দূষিত হলে উর্দ্ধ দিকে বা অধোদিকে নির্গত না হয় তাকে বিলম্বিকা বলে।
এই রোগের চিকিৎসা খুব কঠিন। 

মলত্যাগ এ বিলম্ব হওয়া,মলত্যাগকালে বেদনা,কঠিন,স্বল্প ও দূর্গন্ধ বিশিষ্ট মলত্যাগ,মলের স্বাভাবিক বর্নের বিকৃতি এ রোগের লক্ষন।
ইহা হতে শারীরিক ও মানষিক অবসন্নতা,মস্তক বেদনা,মস্তক ঘূর্নন,সর্বদা বিমর্ষভাব,হ্রদস্পন্দন প্রভৃতি আনুষঙ্গিক লক্ষন প্রকাশিত হতে পারে।

এই রোগ অনেকদিন অবধী পেটে মল সঞ্চিত থাকিলে ঐ মল পঁচিয়া ভীষন বিষাক্ত পদার্থের সৃস্টি করে। ঐ বিষ রক্তের সহিত শোষিত হয়ে প্রথমে যকৃতে যায়।যকৃৎ কোষগুলো এই বিষকে ধংষ করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করে এবং কিছুদিন পরে তাহারা নিস্তেজ হয়ে পরে এবং তখন যকৃতের ক্রিয়ার বিকৃতি ঘটে।
কোষ্ঠবদ্ধতা জনিত তখন দেহের বিভিন্ন যন্ত্রের কোষগুলোকে নিস্তেজ ও রোগ প্রবন করে তোলে এবং উহার ফলে যকৃতের নানাবিধ ব্যাধী,পেটফাঁপা,অম্ল,অজীর্ণতা,পাকাশয়ে বা ডিওডিনামে ক্ষত,অন্ত্র প্রদাহ,অর্শ,বাত,মূত্রগ্রন্থির প্রদাহ,মাথাধরা,বমি নানান রোগ উৎপন্ন হয়।